September 9, 2026, 3:32 pm
Headline :
তুমি রবে নীরবে হৃদয় মম “ভুলিনি তোমাদের- তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম “প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের স্মরণে দোয়া ও স্মরণসভা বায়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনাব দেওয়ান সোহেল নেপালে ভয়াবহ দূর্যোগ ট্রাজেডি শুভ উদ্বোধন হলো মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ জপশা ছিটু মাদবর কান্দি জপশা গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল ম্যাচ জমজমাট পূর্ণ ভাবে শেষ হলো। জপশা ছিটু মাদবর কান্দি জপশা গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল জমজমাট পূর্ণভাবে শেষ হলো জপশা ছিটু মাদবর কান্দি জপশা গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল। জপশা ছিটু মাদবর কান্দি জপশা গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল। জপশা ছিটু মাদবর কান্দি জপশা গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল ২০২৬ ইং।

“ভুলিনি তোমাদের- তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম “প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের স্মরণে দোয়া ও স্মরণসভা

ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার

ঢাকায় বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস এসোসিয়েশনের আয়োজনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে প্রয়াত ক্রীড়া ভাষ্যকারদের স্মরণে “তুমি রবে নীরবে হৃদয়ে মম ” দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত দোয়া ও স্মরণ সভায় বাংলাদেশের প্রখ্যাত ধারাভাষ্যকারগন, নবীন তরুণ ধারাভাষ্যকার, সাংবাদিক ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া লেখক ও প্রয়াত ধারাভাষ্যকারদের আত্মীয় স্বজন উপস্থিত ছিলেন।আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার সকলের শ্রদ্ধাভাজন বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটর এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা আলফাজ উদ্দীন আহমেদ, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার শামীম আশরাফ চৌধুরী, বাংলাদেশ স্পোর্টস এসোশিয়েশনের সভাপতি জানাব ডা.অনুপম হোসেন,সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার জনাব সামসুল ইসলাম, কাজল সরকার সামসুল আলম প্রিন্স, পলাশ খান প্রয়াত ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার মঞ্জুর হাসান মিন্টুর (ভাই)বোন পারভীন হাসান,,এম এ মুরদ,তামান্না সিদ্দিকী, সমন্বয় ঘোষ, আমানুল্লাহ সরকার, এস কে জেইড, নিজাম উদ্দীন শান আমান প্রমুখ।বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের জাতীয় ধারাভাষ্যকার জামিলুর রহমানের সঞ্চালনায় শুরুতেই স্মৃতিচারণ করেন জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার সামসুল ইসলাম। ক্রীড়া ভাষ্যকার সামসুল ইসলাম বলেন,যারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাংলা ধারাভাষ্য টাকে নিয়ে গেছেন অনেক উপরে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। রেডিওতে যখন বাংলা ধারাভাষ্য হত তখন এই মানুষগুলোর কারণেই আমরা আজ ধারাভাষ্য জগৎতে এসেছি।আমরা যদি তাদেরকে স্মরণ না করি তাদের কথা মনে না করি তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের কে ও ভুলে যাবে।সামসুল ইসলাম বলেন, মাইক্রোফোনে যখন আমি বেশ কয়েকজনের সাথে বসে ধারাভাষ্য করেছিলাম তখন খোদা বকস্ মৃধা ভাইয়ের সাথে আমার মধুর একটা সম্পর্ক তৈরী হয়। কত যে স্মৃতি রয়েছে তা বলে শেষ করা যাবেনা।খোদা বকস্ মৃধা রাজশাহী হাতেম খায়ের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।১৯৭২ সালে রাজশাহী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এমসিসি বনাম বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের মধ্যকার তিন দিনের ম্যাচ দিয়ে ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে তার পথ চলা শুরু। টানা ৩৮ বছর ধরে বেতার ও টেলিভিশনে ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছেন।স্পোর্টস কমেন্ট্রিতে তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল ভরাট কণ্ঠস্বর,ক্লাসিক রানিং কমেন্ট্রি সহজ ও সুন্দর শব্দ চয়ন, বাক্য বিন্যাস, টেকনিক্যাল এনালাইসিস, সাহিত্যেময় বর্ণনা বাক্য বিন্যাস মধ্য দিয়ে দর্শকদের হৃদয় কেড়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশ স্পোর্টস এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার আলফাজ উদ্দীন আহমেদ বলেন,আমাদের সেই যুগ ছিলো স্মৃতিতে ভরা,আমরা একে অপরের সাথে পরিপূরক ছিলাম। আমরা আগের দিন রাতে নোট করে নিয়ে আসতাম মাইক্রোফোনে কি বলবো। একজন খেলোয়াড়ের ডাটা কালকেশন করে মাইক্রোফোনে বসতাম।আসলে প্রয়াত ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার আব্দুল হামিদ,মঞ্জুর হাসান মিন্টু, আতাউল হক মল্লিক,বদরুল হুদা চৌধুরী,মোহাম্মদ মুসা,তওফিক আজিজখান,মোহাম্মদ শাজহান,খোদা বকস্ মৃধা, নুর আহমেদ, এরা সকলেই অসাধারণ ধারা বিবরণী দিতেন।জনাব আলফাজ আহমেদ বলেন,আমি অনুপম হোসেন,সামসুল ইসলাম সহ সকলকে ধন্যবাদ জানাই এতো সুন্দর আয়োজন করার জন্য তিনিও আরোও বলেন,প্রয়াত ধারাভাষ্যকারদের নিয়ে এমন আয়োজন যাতে সব সময় হয়।আন্তর্জাতিক ধারাভাষ্যকার আলফাজ উদ্দীন আহমেদ আরো বলেন,বাংলাদেশ বাংলা ক্রীড়া ধারাভাষ্যের পথিকৃত আব্দুল হামিদ। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী আব্দুল হামিদ খেলেছেন, খেলা পরিচালনা করেছেন হয়েছেন ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া সাংবাদিক।দেশভাগের পর ১৯৫১ সালে আব্দুল হামিদের পরিবার ঢাকায় চলে আসে ঠাই হয় ঢাকার গেন্ডারিয়াতে। ১৯৬৩ সালের ৪ঠা আগস্ট এদেশে প্রথমবারের মতো তার কন্ঠে বাংলায় ধারা বিবরণী সম্প্রচার করা হয়। আব্দুল হামিদ টেলিভিশনের ধারা বিবরণী শুরু করেন ১৯৬৬ সালে।১৯৭০ সালের ১৯শে ডিসেম্বর বিদেশের মাটি থেকে প্রথম বাংলায় ধারাবিবরণী দেন। এদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন অগ্রদূত। দৈনিক জেহাদ দৈনিক, দৈনিক আজাদ,দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় নিয়মিত স্পোর্টস নিয়ে লিখতেন। সুতরাং বাংলাদেশে সকল প্রয়াত ধারাভাষ্যগনরা ছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের মুকুট। ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব সকল প্রয়াত ধারাভাষ্যকারদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। শামীম আশরাফ চৌধুরী বলেন,বাংলাদেশের সকল প্রয়াত ধারাভাষ্যকারদের গভীর ভাবে স্মরণ করছি।মহান সৃষ্টিকর্তা তাদের যেন জান্নাত বাসী করেন।একটা কথা না বলে পারলাম না বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সকলের প্রিয় মুসা ভাই তার নর্মদা ভদ্রতা আর বিনয়ের জন্য অধিক পরিচিতি ও জনপ্রিয় ছিলেন। মোহাম্মদ মুসা বাংলাদেশের ক্রীড়া লেখক সমিতির আজীবন সম্মাননা পাওয়া একজন সদস্য আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করতে পারি। বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্ট্রাটর এসোসিয়েশন সভাপতি ধারাভাষ্য জগৎতের আরো একজন উজ্জ্বল মুখ বিটিভির পরিচিত মুখ জনাব ডা. অনুপম হোসেন বলেন,আসলে দেখুন আমরা আমাদের এই মানুষগুলো সম্পর্কে কি বলবো বলে,শেষ করা যাবেনা।তবে এতোটুকো বলতে পারি আসুন আমরা তাদের সব সময় শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে যাই,বাংলাদেশের প্রখ্যাত রেডিও টেলিভিশনে ধারাভাষ্যকার কাজল সরকার বলেন, মনজুর হাসান মিন্টু ভাই, খোদা বকস্ মৃধা ভাইয়ের সাথে এক সাথে বসে মাইক্রোফোন শেয়ার করেছি। আসলে এর চাইতে গর্ব আর কি হতে পারে।পাকিস্তান জাতীয় দলের গোলরক্ষক এদেশের সোনালী অতীতের এক সফলপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মঞ্জুর হাসান মিন্টু। তিনি আরো বলেন,পঞ্চাশের দশকে খেলোয়াড়ী জীবন শুরুর পর ক্রিয়া সংগঠক ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে তিনি ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জল এক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব।